গাজীপুরের টঙ্গী রেলওয়ে জংশন ও আশপাশের এলাকায় র্যাব-১ পরিচালিত বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার এবং ১১ জনকে আটক করা হয়েছে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আটক ব্যক্তিদের অপরাধের ধরন অনুযায়ী বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৯ জুন) রাত সাড়ে ৮টা থেকে রাত পৌনে ১০টা পর্যন্ত পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন র্যাব-১-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নিয়ামুল হালিম এবং সিপিসি-২-এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর শহিদুল ইসলাম। অভিযানে র্যাবের বিপুলসংখ্যক সদস্যের পাশাপাশি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশের সদস্যরাও অংশ নেন।
র্যাব সূত্র জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে টঙ্গী রেলওয়ে জংশন ও এর আশপাশের এলাকায় একযোগে অভিযান চালানো হয়। এ সময় বিপুল পরিমাণ ইয়াবা, গাঁজা, মাদকদ্রব্যের ইনজেকশনসহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ মাদক উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে মাদক ব্যবসা ও সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ১১ জনকে আটক করা হয়।
অভিযান শেষে র্যাব সদর দপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু হাসানের নেতৃত্বে ঘটনাস্থলেই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। আদালত আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত অপরাধের ভিত্তিতে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করেন।
র্যাব-১-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নিয়ামুল হালিম সাংবাদিকদের বলেন, সরকারের ঘোষিত মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে এ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। মাদক কারবার ও সেবনের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরও বলেন, অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার এবং ১১ জনকে আটক করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও মাদক নির্মূলে টঙ্গীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় এ ধরনের বিশেষ অভিযান ধারাবাহিকভাবে পরিচালনা করা হবে।
র্যাবের দাবি, মাদকের বিস্তার রোধ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারিও জোরদার করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এমন কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে মাদক কারবার নিয়ন্ত্রণে আরও ইতিবাচক ফল আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
