দেশে চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে ১৬৬ কন্যাশিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে, যা গড়ে প্রতিদিন প্রায় ৩ শিশুর সমান। মহিলা পরিষদের তথ্য অনুযায়ী, একই সময়ে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে ৩১ শিশু, ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে ১২ জনকে এবং ধর্ষণচেষ্টার শিকার হয়েছে আরও ৪৩ শিশু। এছাড়া বিভিন্ন কারণে নিহত হয়েছে ৬৩ শিশু।
অধিকারকর্মী ও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশু নির্যাতন ও যৌন সহিংসতার ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। তাদের মতে, দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে সমন্বিতভাবে প্রতিরোধমূলক উদ্যোগ নিতে হবে। শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সচেতনতা বৃদ্ধি, নৈতিক শিক্ষা, আইন প্রয়োগ এবং অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন তারা।
শিশু অধিকারকর্মীদের মতে, অধিকাংশ ক্ষেত্রে অপরাধীরা পরিচিত ব্যক্তি বা আত্মীয় হওয়ায় পরিবারকে আরও সতর্ক হতে হবে। একই সঙ্গে ছেলে শিশুদের ছোটবেলা থেকেই নারী ও শিশুর প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার শিক্ষা দেওয়া এবং সমাজে ইতিবাচক মূল্যবোধ গড়ে তোলাও জরুরি।
