বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন শেষ হলেও তা ঘিরে আলোচনা-সমালোচনা এখনো থামেনি। ভোটগ্রহণ ও ফলাফল ঘোষণার পর নির্বাচনে অর্থের প্রভাব ছিল বলে অভিযোগ তুলেছিলেন চিত্রনায়িকা পলি। এবার সেই অভিযোগের বিষয়ে নিজের অবস্থান জানিয়েছেন নবনির্বাচিত সভাপতি শিবা শানু।
শিবা শানু বলেন, নির্বাচন একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। জয়-পরাজয় থাকবেই, আর পরাজয়ের পর অনেক সময় হতাশা বা অভিমান থেকে বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য আসতে পারে।
তিনি বলেন, “নির্বাচনে পরাজয় হলে স্বাভাবিকভাবেই মন খারাপ হয়। আবার বিভিন্ন ধরনের কথা শুনতে হলে সেই কষ্ট আরও বেড়ে যায়। আমি বিশ্বাস করি, সময়ের সঙ্গে এই খারাপ লাগা কেটে যাবে।”
নবনির্বাচিত সভাপতি জানান, শিল্পী সমিতির কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে একাধিক উপকমিটি গঠন করা হবে। এসব উপকমিটিতে শুধু বিজয়ী সদস্যরাই নন, নির্বাচনে অংশ নেওয়া পরাজিত প্রার্থীদেরও সম্পৃক্ত করা হবে, যাতে সবাই মিলে শিল্পীদের কল্যাণে কাজ করতে পারেন।
তিনি বলেন, “যারা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন, তারা সবাই শিল্পীদের জন্য কাজ করার ইচ্ছা নিয়েই এসেছেন। তাই তাদের অভিজ্ঞতা ও আগ্রহকে কাজে লাগাতে চাই। উপকমিটিগুলোতে তাদের সম্পৃক্ত করা হবে, যাতে সবাই মিলে শিল্পী সমিতিকে এগিয়ে নেওয়া যায়।”
চিত্রনায়িকা পলির অর্থের প্রভাব সংক্রান্ত অভিযোগ প্রসঙ্গে শিবা শানু বলেন, তিনি বিষয়টি নিয়ে আগে পলির সঙ্গে কথা বলতে চান। অভিযোগের বিস্তারিত শুনেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তার ভাষ্য, “তিনি যে অভিযোগ করেছেন, আমার মনে হয় না কেউ টাকার জন্য এখানে এসেছে। হয়তো পরাজয়ের কষ্ট থেকে এমন কথা বলেছেন। তিনি কী বলতে চাচ্ছেন, সেটা আগে শুনতে চাই। এরপর প্রয়োজন হলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”
সবশেষে তিনি বলেন, নির্বাচন শেষ হয়েছে। এখন ব্যক্তিগত মতভেদ ভুলে শিল্পীদের স্বার্থে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার সময়। ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে শিল্পী সমিতিকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর সংগঠন হিসেবে গড়ে তোলাই তার লক্ষ্য।
