আগামী চার বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশকে পথশিশু ও ভিক্ষুকমুক্ত করার লক্ষ্যে সরকার একটি আলাদা প্রকল্প নিয়ে কাজ করছে। একই সঙ্গে দেশের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদেরকেও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ছাতার নিচে নিয়ে আসা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।
বুধবার (৭ অক্টোবর) ‘শিশু অধিকার দিবস’ ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা জানান।
মন্ত্রী জানান, শিশু একাডেমির কার্যক্রম এখনও দেশের ৬৪টি জেলায় ভালোভাবে পৌঁছায়নি। তবে প্রথমে ৬৪টি জেলায় এবং পর্যায়ক্রমে এই কার্যক্রম দেশের ৫০৩টি উপজেলায় ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।
শিশুদের সাংস্কৃতিক, মানসিক ও সামাজিক বিকাশের জন্য বাংলাদেশ শিশু একাডেমি তার সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যাহত রাখবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।
মঈন খান বলেন, শিশুদের প্রতিভা বিকাশের জনপ্রিয় আসর ‘নতুন কুঁড়ি’তে এবার প্রথমবারের মতো খেলাধুলা যুক্ত করা হয়েছে। এতে মোট ১৪টি নতুন খেলা থাকবে, যেখানে তৃণমূল গ্রাম থেকে শুরু করে সব পর্যায়ের শিশুরা সমানভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে।
