বাংলাদেশে ই-কমার্স, অনলাইন ব্যবসা, শিক্ষা ও ডিজিটাল নিরাপত্তাসহ প্রযুক্তি খাতের বিভিন্ন বিষয়ে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার পাশাপাশি ঢাকায় একটি কার্যালয় খোলার আগ্রহ প্রকাশ করেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্রতিষ্ঠান মেটা।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, মেটার প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বাংলাদেশের একটি ফলপ্রসূ বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে জরুরি অন্য একটি কর্মসূচির কারণে তিনি যোগ দিতে পারেননি।
শামা ওবায়েদ বলেন, বাংলাদেশে বিপুলসংখ্যক ফেসবুক ব্যবহারকারী থাকায় ঢাকায় একটি ফোকাল পয়েন্ট বা প্রশাসনিক কেন্দ্র স্থাপনে বিশেষ আগ্রহ দেখিয়েছে মেটা।
তিনি জানান, ভারতে ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেশি হলেও তুলনামূলকভাবে বাংলাদেশের ব্যবহারকারীদের উপস্থিতিও উল্লেখযোগ্য। ঢাকায় কার্যালয় কীভাবে এবং কখন আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা যায়, তা মেটা কর্তৃপক্ষ পর্যালোচনা করবে।
বৈঠকে বাংলাদেশের নতুন সাইবার নিরাপত্তা আইন ও তথ্যপ্রযুক্তি নিরাপত্তা-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ডিজিটাল হয়রানি মোকাবিলায় মেটা কীভাবে সরকার, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর সঙ্গে কাজ করতে পারে, সে বিষয়েও আলোচনা হয়।
দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার পাশাপাশি ই-কমার্স ও অনলাইন ব্যবসার প্রসারে কারিগরি ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে মেটা।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকারের নেতৃত্বে প্রথম বাজেটে প্রযুক্তি খাত ও ই-কমার্সের প্রসারে নেওয়া অগ্রাধিকারমূলক পদক্ষেপগুলোর প্রশংসা করেছে মেটার প্রতিনিধিদল।
শামা ওবায়েদের ভাষায়, ‘মেটা আমাদের উদ্যোগগুলোকে অত্যন্ত ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছে এবং ভবিষ্যতে বাংলাদেশ টিমের সঙ্গে খুব ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।’
