নতুন করে বন্যা ও ভূমিধসের আশঙ্কায় চীন-নেপাল সীমান্তের দিকে উদ্ধার অভিযান

রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন করে বন্যা ও ভূমিধসের আশঙ্কায় চীন-নেপাল সীমান্তের কাছে জিরং স্থলবন্দরের দিকে উদ্ধার অভিযান স্থগিত করা হয়েছে।

বুধবারের প্রবল বৃষ্টির কারণে এলাকায় একটি নতুন হ্রদ বা ‘ব্যারিয়ার লেক’ সৃষ্টি হয়।

 ‘ব্যারিয়ার লেক’ বা বাধাপ্রাপ্ত হ্রদ হলো এমন একটি জলাধার, যা প্রাকৃতিকভাবে নদীর গতিপথ বা উপত্যকা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে তৈরি হয়। গত ৪৮ ঘণ্টায় হ্রদটির পানির স্তর ক্রমেই বেড়েছে। এতে যেকোনো সময় পানির প্রবল স্রোত নেমে এসে নতুন করে বন্যা বা ভূমিধস ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি শুক্রবার সকালে জানায়, নতুন তৈরি হওয়া হ্রদটি ক্রমাগত উপচে পড়ছে। পরিস্থিতি এতটাই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে যে, উদ্ধারকারী দলগুলো ক্ষতিগ্রস্ত জিরং স্থলবন্দরের দিকে এগোতে পারছে না।

উদ্ধার অভিযান পর্যবেক্ষণকারী সিসিটিভির এক প্রতিবেদক বলেন, ‘আপাতত আমাদের এখানে থামতে হচ্ছে।’ তিনি আরো জানান, সামনের উদ্ধারকারী দলগুলোর কাছ থেকে জরুরি নির্দেশনা পাওয়া গেছে। এতে সব উদ্ধারকারী দলকে জিরং বন্দরের দিকে এগিয়ে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। সিসিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, হ্রদটি যেভাবে উপচে পড়ছে, তাতে নতুন করে আকস্মিক বন্যা বা ভূমিধসের আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে অনুসন্ধান ও উদ্ধারকাজের জন্য চিহ্নিত এলাকায় এগিয়ে যাওয়া অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে পড়েছে।

সিসিটিভি জানিয়েছে, বর্তমানে বেশিরভাগ উদ্ধারকারী জিরং টাউনের লাওজিয়াং গ্রামের প্রবেশপথে অবস্থান করছেন। গ্রামটি চীন-নেপাল সীমান্ত থেকে প্রায় ৪ দশমিক ৩৫ মাইল দূরে অবস্থিত।
 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *